সাধারণ সদস্য
ভোটাধিকার আছে
কাঞ্চন এলাকার বাসিন্দা, যিনি এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সদস্যপদ লাভ করেছেন। সাধারণ সদস্য ও আজীবন দাতা সদস্যদের নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে।
সংগঠনের সদস্য তিন শ্রেণির। সাধারণ সদস্য ও আজীবন দাতা সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় সাধারণ পরিষদ — সংগঠনের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সংস্থা।
ভোটাধিকার আছে
কাঞ্চন এলাকার বাসিন্দা, যিনি এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সদস্যপদ লাভ করেছেন। সাধারণ সদস্য ও আজীবন দাতা সদস্যদের নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে।
ভোটাধিকার আছে
কাঞ্চন এলাকার বাসিন্দা, প্রবাসী বা এলাকার বাইরের যে কেউ, যিনি সংগঠনের তহবিলে সাধারণ পরিষদ নির্ধারিত অঙ্কের এককালীন অনুদান প্রদান করেছেন। তিনি আজীবন সদস্য থাকবেন এবং তাঁকে ভর্তি ফি বা নিয়মিত চাঁদা দিতে হবে না। তিনি সাধারণ সদস্যের মতো সভায় অংশগ্রহণ, মতামত প্রদান ও ভোটাধিকার ভোগ করবেন।
ভোটাধিকার নেই
সমাজে বিশিষ্ট ও সম্মানিত ব্যক্তি, যাঁকে কার্যনির্বাহী কমিটি সংগঠনের কল্যাণে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মনোনীত করবে। তাঁর ভোটাধিকার ও নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার থাকবে না।
ভর্তি ফি, নিয়মিত চাঁদা ও আজীবন দাতা সদস্যের এককালীন অনুদানের পরিমাণ সাধারণ পরিষদ নির্ধারণ করবে।
কমপক্ষে ১৮ (আঠারো) বছর বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, সৎ ও সমাজহিতৈষী হতে হবে।
সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও গঠনতন্ত্রে আস্থা জ্ঞাপন করতে হবে।
নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর সদস্যপদ কার্যকর হবে।
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০২ অনুযায়ী অথবা কোনো নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে আদালত কর্তৃক দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন না।
সাধারণ সদস্য সাধারণ পরিষদের সভায় অংশগ্রহণ, মতামত প্রদান, ভোটদান এবং নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। তিনি সংগঠনের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেখতে চাইতে পারবেন।
প্রত্যেক সদস্য গঠনতন্ত্র মেনে চলবেন, সংগঠনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন, নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ করবেন এবং সংগঠনের সুনাম রক্ষা করবেন।
ধারা ১০ অনুযায়ী।
নির্ধারিত ফরম ও ভর্তি ফি সম্পর্কে জানতে কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।
রক্তদাতা নিবন্ধন যে কেউ অনলাইনে করতে পারেন। ফরমেই জানাতে পারবেন সংগঠনের সদস্য হতে চান কি না।
রক্তদাতা নিবন্ধন